বাড়ি বাড়ি থেকে পচনশীল বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করে দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি হচ্ছে জৈব সার
দি নিউজ লায়নঃ দুর্গাপুর- ফরিদপুর ব্লকের প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে বড়গড়িয়া এলাকায় গড়ে উঠেছে কঠিন বর্জ্য পদার্থের নিরাপদ নিষ্কাশন প্রকল্প। মিশন নির্মল পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এই উদ্যোগ। প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বড়গড়িয়া, খাটগড়িয়া, কাঁটাবেরিয়া সহ অন্যান্য গ্রাম বাড়িতে বাড়িতে সবজির খোসা, ব্যবহৃত খাবার সহ বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থগুলি সংগ্রহ করে ঠেলা গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয়।
তারপর অপচনশীল বর্জ্য পদার্থ যেমন প্লাস্টিক, টিন, লোহা আলাদা করা হয় এবং পচনশীল বজ্য পদার্থ যেমন সবজির খোসা, নষ্ট হওয়া খাবার সেগুলিকে আলাদা করা হয়। প্রতাপপুর পঞ্চায়েতের অধীনস্থ সার তৈরির ফার্মে সবজির খোসা এবং নষ্ট খাবারগুলি চৌবাচ্চার মধ্যে বেশ কিছুদিন রাখা হয়। কিছুদিন পর পচন হলে শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যে ফার্মের ভেতর পচনশীল সারের মধ্যে কেঁচো ছাড়া হয়। ওই সারের মধ্যে দুই সপ্তাহ ধরে ৭টি প্রজাতির কেঁচো ছাড়া হয়। তারপর পরিণত হয় কেঁচো সারে। তারপর রোদে শুকিয়ে ভালো করে চালার পর তৈরি হয় জৈব সার।
এই সার ব্যবহার করলে একদিকে যেমন জমির উর্বরতা বাড়ে তেমনি খরচও অনেকটা কম, অন্যদিকে শরীরেও কোনো ক্ষতি করেনা বলে দাবি পঞ্চায়েতের। সেই জৈব সার ব্যবহার করে ওই উদ্যানে ফলেছে সবজি, রকমারি ফল সহ অ্যলোভেরা। সেই সবজি সরকারি ভাবে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে যায়। বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শহরের বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে। কর্মসংস্থান হয়েছে ৭জনের। এই সারগুলি বিভিন্ন সরকারি উদ্যানে এবং সবজি চাষের খামারে পৌঁছে যায়। প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সঞ্জয় মুখার্জী দাবি করেন এই প্রকল্পের মাধ্যমে কিছুটা হলেও সফল মিশন নির্মল পঞ্চায়েত।*

Post a Comment